অদ্ভুত আতিথেয়তা প্রশ্ন উত্তর । অদ্ভুত আতিথেয়তা গল্প । class 8 bengali অদ্ভুত আতিথেয়তা প্রশ্ন উত্তর । Advut Atitheota Question Answer

 

অদ্ভুত আতিথেয়তা প্রশ্ন উত্তর । অদ্ভুত আতিথেয়তা গল্প । class 8 bengali অদ্ভুত আতিথেয়তা প্রশ্ন উত্তর ।  Advut Atitheota Question Answer




অদ্ভুত আতিথিয়তা

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর


            সূচিপত্র

  • লেখক পরিচিতি
  • বিষয়সংক্ষেপ
  • উৎস
  • নামকরণ
  • অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন
  • সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন
  • রচনাধর্মী প্রশ্ন




লেখক পরিচিতি


ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর (১৮২০-১৮৯১) মেদিনীপুরের বীরসিংহ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতার নাম ঠাকুরদাস বন্দ্যোপাধ্যায় এবং মায়ের নাম ভগবতী দেবী। গ্রামের পাঠশালায় প্রাথমিক শিক্ষা শুরু হয় ১৮২৮ খ্রিস্টাব্দে তিনি কলকাতায় আসেন এবং ১৮২৯ খ্রিস্টাব্দে সংস্কৃত কলেজে ভরতি হন। ১২ বছর কাব্য, ব্যাকরণ, অলংকার, বেদান্ত, স্মৃতি, ন্যায়, জ্যোতিষ প্রভৃতি পাঠ করে ঈশ্বরচন্দ্র অসাধারণ ব্যুৎপত্তি অর্জন করেন। ১৮৩৯ খ্রিস্টাব্দে  তিনি ‘বিদ্যাসাগর' উপাধি পান। ফোর্ট উইলিয়াম কলেজে ১৮৪১ খ্রিস্টাব্দে তিনি হেডপণ্ডিতের পদ লাভ করেন এবং ১৮৪৬ খ্রিস্টাব্দে সংস্কৃত কলেজের সহ-সম্পাদক হন। বিদ্যাসাগর অনেকগুলি গ্রন্থ রচিত করেন এগুলির মধ্যে রয়েছে ‘বোধোদয়’, ‘বর্ণপরিচয়’, 'কথামালা', 'চরিতাবলী’, ‘ঋজুপাট’, প্রভৃতি। বাংলা ভাষার সামর্থ্যবৃদ্ধি ও সংস্কৃত ভাষার প্রভাব থেকে বাংলা ভাষার মুক্তির জন্য বিদ্যাসাগর ‘বেতাল- পঞ্চবিংশতি’, ‘শকুন্তলা', 'সীতার বনবাস' প্রভৃতি রচনা করেন। এছাড়াও তিনি 'রঘুবংশ', 'সর্বদর্শনসংগ্রহ’, ' কুমারসম্ভব', ‘কাদম্বরী, ‘মেঘদূত’, ‘উত্তররামচরিত’, ‘অভিজ্ঞান শকুন্তলম্’ প্রভৃতি গ্রন্থ সম্পাদনা করেন।

উৎস

‘অদ্ভুত আতিথেয়তা’ শীর্ষক রচনাটি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত ‘আখ্যানমঞ্জুরী' গ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে।


বিষয়বস্তু


একসময় আরবদের  সঙ্গে মুরসেনাপতির যুদ্ধ হয়েছিল। আরবসেনারা বহুদূর পর্যন্ত এক মুরসেনাপতিকে অনুসরণ করেছিল। মুরসেনাপতি প্রাণভয়ে ঘোড়ার পিঠে দ্রুতবেগে পালাতে লাগলেন। আরব সেনারা তাঁর অনুসরণে ক্ষান্ত হলে, তিনি নিজের পক্ষের শিবিরের উদ্দেশে রওনা হলেন। কিন্তু অন্ধকার হয়ে যাবার ফলে তিনি দিক ভুল করে শেষপর্যন্ত বিপক্ষের শিবিরে গিয়ে উপস্থিত হন। সেসময় তিনি এতই ক্লান্ত ছিলেন যে, কোনোভাবেই তাঁর আর ঘোড়ার পিঠে করে যাত্রা করার সামর্থ্য ছিল না। কিছুক্ষণ পরে, তিনি এক আরব সেনাপতির শিবিরে এসে উপস্থিত হলেন  আশ্রয় প্রার্থনা করলেন। পৃথিবীতে আতিথেয়তা বিষয়ে আরব জাতিই সেরা। কেউ অতিথি হয়ে আরবদের ঘরে এলে, এমনকি সে ব্যক্তি তাঁদের শত্রু হলেও তাঁরা ক্ষমতা অনুযায়ী তাঁর সেবা করেন। আরবসেনাপতি তক্ষুণি মুরসেনাপতিকে আশ্রয় দিলেন। মুর সেনাপতির ক্ষুদা, তৃষ্ণায় ও ক্লান্তি দূর হলে বন্ধুভাবে উভয় সেনাপতি কথাবার্তা বলতে লাগলেন। নিজেদের পূর্বপুরুষদের সাহস, পরাক্রম, সংগ্রাম-কৌশল প্রভৃতি বিষয় তাঁদের কথাবার্তায় উঠে এল। হঠাৎই আরব সেনাপতির মুখ বিবর্ণ হয়ে গেল তারপর তিনি তখনই সেখান থেকে চলে গেলেন। অল্পসময় পরে তিনি মুর সেনাপতিকে বলে পাঠালেন যে, তিনি অসুস্থ, সেজন্য নিজে উপস্থিত থাকতে পারছেন না, তার আহার ও শয্যা  সব ঠিক করা আছে। কাল খুব ভোরে হলে  মুরসেনাপতির জন্য তিনি এক দ্রুতগামী ঘোড়ার ব্যবস্থা করে দেন। তিনি যেন সেই ঘোড়ায় চেপে নিজের শিবিরে ফিরে যান। বিদায়কালে দুজনের আবার দেখা হবে। আরবসেনাপতির এধরনের ব্যবহারে মুরসেনাপতি কিছুটা অবাক হয়েছিলেন। রাত্রিশেষে, আরবসেনাপতির লোক মুরসেনাপতির ঘুম ভাঙিয়ে মুখ ধোওয়ার ও প্রাতরাশের ব্যবস্থা করে দিল। একটি সুসজ্জিত ঘোড়ার লাগাম দাঁড়িয়েছিলেন আরবসেনাপতি। মুরসেনাপতিকে তিনি জানালেন, আগের দিন রাতে মুরসেনাপতির কথা থেকে তিনি তাঁর পিতৃহন্তাকে চিনতে পেরেছেন। সূর্যোদয়ের আগেই যেন মুরসেনাপতি সেখান থেকে চলে যান। কারণ, তিনি তখন আর আরবসেনাপতির অতিথি থাকবেন না। তখন আরবসেনাপতি তাঁর পিতার মৃত্যুর প্রতিশোধ নেবেন । তারপর মুরসেনাপতিকে তিনি বিদায় দিলেন। সূর্য ওঠার পর আরবসেনাপতি মুরসেনাপতির সন্ধানে রওনা হলেন।


নামকরণ


আরবজাতি আতিথেয়তার নিরিখে পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ জাতি। কিন্তু প্রকৃতপক্ষেই তাদের আতিথেয়তা কতখানি প্রশংসনীয় তা উপলব্ধি করা যায় এই গল্পটি থেকে।  যুদ্ধে ক্লান্ত এক মুরসেনাপতি অনেক পথ ঘোড়ায় চড়ে এসে ক্ষুধার্ত, তৃষ্ণায় হয়ে পথ ভুলে নিজের শিবিরের পরিবর্তে শত্রুপক্ষের শিবিরে উপস্থিত হন। মুরসেনাপতি ও তাঁর ঘোড়া দুজনেরই তখন আর চলার ক্ষমতা ছিলনা । এমন পরিস্থিতিতে মুর সেনাপতির প্রকৃত পরিচয় না জেনেই আরবসেনাপতি তাঁকে আশ্রয়, বিশ্রাম, খাদ্য, জল—সবই দান করেন। অতিথিসেবা তিনি কোনো খামতি রাখেন না। মুরসেনাপতি একটু সুস্থ হবে উভয়ের কথোপকথনকালে আরবসেনাপতি বুঝতে পারেন যে, এই মুরসেনাপতিই অতীতে তাঁর পিতাকে হত্যা করেছিলেন। মনের মধ্যে পিতৃহত্যার প্রতিশোধ জেগে উঠলেও, তিনি তা প্রকাশ করেন না। কারণ, সেই মুহূর্তে ওই চরমশত্রু মুরসেনাপতিই তাঁর অতিথি। তাঁদের কাছে অতিথি দেবতুল্য। অতিথির কোনোরকম অনিষ্টসাধন ছিল তাঁর শিষ্টাচারের বিরুদ্ধে। আরবসেনাপতি নিজেকে সংযত রেখে অতিথিকে কোনো কটু কথা বলেন না বা তাঁর প্রতি কোনো অসৌজন্য প্রকাশ করেন না। পুরো গল্পে তাঁর এই অতি প্রশংসনীয় আতিথ্যকেই লেখক অদ্ভুত আতিথেয়তা বলেছেন। গল্পের নামকরণ তাই প্রকৃতই সার্থক।

১. নীচের প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও

১.১ ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর কোন কলেজের অধ্যক্ষ ছিলেন ?


উত্তর সংস্কৃত কলেজের অধ্যক্ষ ছিলেন ।


১.২ তার রচিত দুটি গ্রন্থের নাম লেখ ।


উত্তর আখ্যান মঞ্জুরী ও বোধোদয় ।


২. নীচের প্রশ্নগুলির একটি বাক্যে উত্তর দাও ।


২ .১ অদ্ভুত আতিথিয়তা গল্পে কোন কোন সেনাপতি প্রসঙ্গ রয়েছে ?


উত্তর অদ্ভুত আতিথেয়তা গল্পে আরব সেনাপতি ও মুর সেনাপতি প্রসঙ্গ রয়েছে।


২.২ “তিনি, এক আরবসেনাপতির পটমণ্ডপদ্বারে উপস্থিত হইয়া, আশ্রয় প্রার্থনা করিলেন।”— উদ্ধৃতাংশে 'তিনি' বলতে কার কথা বোঝানো হয়েছে?


উত্তর: আলোচ্য অংশে ‘তিনি’বলতে মুরসেনাপতির কথা বোঝানো হয়েছে।


২.৩“উভয় সেনাপতির কথোপকথন হইতে লাগিল।” -‘উভয় সেনাপতি' বলতে এখানে কাদের কথা বলা হয়েছে?


উত্তর: উভয় সেনাপতি বলতে এখানে আরবসেনাপতি ও মুর- সেনাপতির কথা বলা হয়েছে।


২.৪ তাহা হইলে আমাদের উভয়ের প্রাণ রক্ষার সম্ভাবনা।” —প্রাণ রক্ষার কোন্ উপায় বক্তা এক্ষেত্রে বলেছেন ?


উত্তর: আলোচ্য অংশটি অদ্ভুত আতিথিয়তা নামক গল্প থেকে নেওয়া হয়েছে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত এখানে আমাদের উভয়ের প্রাণ রক্ষার সম্ভাবনা বলতে লেখক আরবসেনাপতি যে ঘোড়াটি মুরসেনাপতিকে দিয়েছেন সেই ঘোড়ায় চড়ে মুরসেনাপতি যদি দ্রুতবেগে চলে যেতে পারেন, তাহলে আরবসেনাপতি ও মুরসেনাপতি উভয়েরই প্রাণরক্ষার সম্ভাবনা আছে।


২.৫ “আপনি সত্বর প্রস্থান করুন।”—বক্তা কেন উদ্দিষ্ট ব্যক্তিকে ‘সত্বর প্রস্থান' করার নির্দেশ দিলেন ?


উত্তর: আলোচ্য অংশটি অদ্ভুত আতিথিয়তা নামক গল্প থেকে নেওয়া হয়েছে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত এখানে  লেখক আপনি আপনি সত্বর প্রস্থান করুন বক্তা সূর্যোদয়ের পর মুর সেনাপতি আর আরব সেনাপতির অতিথি না থাকায় তখন তাঁর ওপর প্রতিশোধ নিতে আরব সেনাপতির আর কোনো বাধা থাকবে না বলে আরব সেনাপতি মুর সেনাপতিকে ‘সত্বর প্রস্থান' করার নির্দেশ দিয়েছিলেন ।


৩. নীচের প্রশ্নগুলির কয়েকটি বাক্যে উত্তর লেখো ।


৩.১ “তাঁহার দিভ্রম জন্মিয়াছিল।”—এখানে কার কথা বলা হয়েছে? দিভ্রম হওয়ার পরিণতি কী হল ?


উত্তর: আলোচ্য অংশটি অদ্ভুত আতিথিয়তা নামক গল্প থেকে নেওয়া হয়েছে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত উদ্ধৃতাংশে মুরসেনাপতির কথা বলা হয়েছে।মুরসেনাপতিকে আরবসেনা অনেক দূর পর্যন্ত অনুসরণ করলে তিনি প্রাণভয়ে দ্রুতবেগে পালিয়ে যান। কিন্তু শেষপর্যন্ত তিনি পথ ভুল করে বিপক্ষ শিবিরে এসে উপস্থিত হন এবং আরবসেনাপতির তাঁবুতে এসে আশ্রয় প্রার্থনা করেন।


৩.২ “আতিথেয়তা বিষয়ে পৃথিবীতে কোনও জাতিই আরবদিগের তুল্য নহে।”—এই বক্তব্যের সমর্থন গল্পে কীভাবে খুঁজে পেলে?


উত্তর: আলোচ্য অংশটি অদ্ভুত আতিথিয়তা নামক গল্প থেকে নেওয়া হয়েছে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত। ‘অদ্ভুত আতিথেয়তা' গল্পে আমরা দেখলাম যে আরব-সেনাপতি তাঁর ঘোরতর শত্রু ও পিতার হত্যা কারী মুরসেনাপতিকে সম্পূর্ণ অসহায় অবস্থায় হাতের মধ্যে পেয়েও প্রতিশোধ নিলেন না। কারণ ওই মুরসেনাপতিকে তিনি অতিথির মর্যাদা দিয়েছিলেন এবং আরবদের জাতীয় ধর্ম অনুসারে অতিথির অনিষ্ট তাঁরা করেন না। এই গল্পটি তাই আতিথেয়তা বিষয়ে আরবদের শ্রেষ্ঠত্বেরই নিদর্শন পাওয়া যায় ।

৩.৩ “সহসা আরবসেনাপতির মুখ বিবর্ণ হইয়া গেল।”— ১৯৯৪ আরবসেনাপতির মুখ হঠাৎ বিবর্ণ হয়ে ওঠার কারণ কী ?


উত্তর: আলোচ্য অংশটি অদ্ভুত আতিথিয়তা নামক গল্প থেকে নেওয়া হয়েছে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত। সহসা আরব সেনাপতির মুখ বিবর্ণ হয়ে যাওয়ার কারণ হলো ।  শত্রুপক্ষ আরব সেনাপতির শিবিরে আশ্রয়প্রার্থী মুর- সেনাপতি বিশ্রাম, আহার, জল গ্রহণের পর কিছুটা সুস্থ হলে উভয় সেনাপতি কথোপকথনে হতে লাগলো । তাঁদের গল্পের বিষয় ছিল পূর্বপুরুষদের সাহস, পরাক্রম, সংগ্রাম- কৌশল ইত্যাদি। কথোপকথনকালেই আরব সেনাপতি বুঝতে পারেন যে এই মুরসেনাপতিই তাঁর পিতাকে হত্যা করেছে । কিন্তু তক্ষুণি প্রতিশোধ গ্রহণও সম্ভব নয়। কারণ, সেই মুহূর্তে মুরসেনাপতি তাঁর অতিথি। আর এই কারণেই মনের যন্ত্রণায় আরব সেনাপতির মুখ বিবর্ণ হয়ে উঠেছিল।


৩.৪ “সন্দিহানচিত্তে শয়ন করিলেন।”—এখানে কার মনের সন্দেহের কথা বলা হয়েছে? তাঁর মনের এই সন্দেহের কারণ কী ?


উত্তর: আলোচ্য অংশটি অদ্ভুত আতিথিয়তা নামক গল্প থেকে নেওয়া হয়েছে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত। এখানে  সন্দিহানচিত্তে শয়ন করার কথা বলতে ' গল্পে মুর- সেনাপতির মনের সন্দেহের কথা এখানে বলা হয়েছে।
মুরসেনাপতি আরবসেনাপতির শিবিরে বিশ্রামলাভ ও খাদ্যগ্রহণ করে কিছুটা সুস্থ হলে উভয় সেনাপতি তাঁদের পূর্বপুরুষদের সাহস, পরাক্রম ও সংগ্রামকৌশল বিষয়ে আলোচনা  করছিলেন। এমন সময় হঠাৎ আরব- সেনাপতি বিবর্ণ মুখে সেখান থেকে চলে গেলেন। কিছু পরে তিনি মুরসেনাপতিকে বলে পাঠালেন, তিনি অসুস্থ তাই উপস্থিত থেকে অতিথির সেবা করতে পারবে না। মুরসেনাপতির আহার ও শয্যা প্রস্তুত আছে। পরের দিন ভোরে তাঁর যাত্রার জন্য একটি তেজী ঘোড়াও প্রস্তুত থাকবে। যাত্রাকালে আরবসেনাপতি তাঁর সঙ্গে দেখা করবেন। কী কারণে আরবসেনাপতি এরকম বলে পাঠালেন তা বুঝতে না পেরে মুরসেনাপতির মনে সন্দেহের সৃষ্টি হয়েছিল।


৩.৫ তাঁহার অনুসরণ করিতেছিল...” – কে, কাকে অনুসরণ করছিলেন? তাঁর অনুসরণের কারণ কী ?


উত্তর: আলোচ্য অংশটি অদ্ভুত আতিথিয়তা নামক গল্প থেকে নেওয়া হয়েছে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত। এখানে আরবসেনাপতি মুরসেনাপতিকে অনুসরণ করছিলেন।
আরবসেনাপতি জানতে পেরেছিলেন যে তিনি যে অতিথিকে আশ্রয় দিয়েছেন তিনি হলেন তার পিতার হত্যাকারী । কিন্তু অতিথির ক্ষতিসাধন আরবদের ধর্মবিরুদ্ধ কাজ। তাই নির্বিঘ্নে রাত কাটানোর পর মুরসেনাপতি যখন আরবসেনাপতির কাছ থেকে বিদায় নিলেন, তখন পিতৃহত্যার প্রতিশোধ গ্রহণের জন্য তিনি নিজের শিবিরের দিকে গমন করতে বললেন তারপর তিনি নিজেই  মুরসেনাপতিকে অনুসরণ করেছিলেন।

আরো পোস্ট পেতে এখানে ক্লিক করুন Class 8 বাংলা 


বোঝাপড়া

অদ্ভুত আতিথেয়তা



৪. প্রসঙ্গ উল্লেখ করে তাৎপর্য বিশ্লেষণ কর ।


৪.১ যাহাতে আপনি সত্বর প্রস্থান করিতে পারেন তদ বিষয়ে যথোপযুক্ত আনুকূল্য করিব ।


উত্তর আলোচ্য অংশটি অদ্ভুত আতিথেয়তা গল্প থেকে নেওয়া হয়েছে বিদ্যাসাগর রচিত ।
অতিথিপরায়ণ আরবজাতির প্রতিনিধি আরবসেনাপতি মুরসেনাপতিকে এই কথাটি বলে পাঠিয়েছিলেন। শত্রুপক্ষের সেনাপতি হলেও বিপদে পড়ে, ক্ষুধায় তৃষ্ণায় ক্লান্ত মুরসেনাপতিকে অতিথি হিসেবে আরবসেনাপতি নিজের শিবিরে আশ্রয় দেন । বিশ্রাম, আহার-পানীয় প্রভৃতি কোনো বিষয়ে মুরসেনাপতির পরিচর্যার সামান্য ত্রুটিও রাখেননি তিনি ৷ পারস্পরিক আলোচনার মাধ্যমে আরবসেনাপতি জানতে পারেন মুরসেনাপতিই তাঁর পিতৃ হত্যাকারী ।  কিন্তু তারপরেও তিনি তাঁর অতিথিসেবার ধর্ম থেকে সরে আসিনি । মনের মধ্যে রাগ-দ্বেষ চেপে রেখে তিনি শেষপর্যন্ত অতিথির সেবা করেছেন। এমনকি তাঁর দ্রুত পলায়নের মুরসেনাপতির ক্লান্ত ঘোড়ার পরিবর্তে সুসজ্জিত, দ্রুত গতিসম্পন্ন ঘোড়া দিয়ে নিরাপদে নিজ শিবিরে ফিরে যাওয়ার ক্ষেত্রে সাহায্য করেছেন ।


৪২ “এই বিপক্ষ শিবির-মধ্যে, আমা অপেক্ষা আপনকার ঘোরতর বিপক্ষ আর নাই।”


উত্তর: আলোচ্য অংশটি অদ্ভুত আতিথেয়তা গল্প থেকে নেওয়া হয়েছে বিদ্যাসাগর রচিত গল্পে খুব ভোরে মুরসেনাপতিকে বিদায় জানানোর সময় তাঁকে সাদর সম্ভাষণ করে একটি দ্রুতগামী ঘোড়ার পিঠে বসিয়ে আরবসেনাপতি এই কথাটি বলেছিলেন। মুরসেনাপতি বিপক্ষ দলের হলেও একজন বিপদাপন্ন অতিথি হিসেবে আরবসেনাপতি তাঁকে নিজের শিবিরে আশ্রয় দিয়েছিলেন। কারণ, আরব জাতির কাছে সবচেয়ে শ্রেষ্ঠ ধর্ম হল অতিথির সেবা করা । কিন্তু পারস্পরিক কথোপকথনকালে আরবসেনাপতি জানতে পারেন এই মুরসেনাপতিই তাঁর পিতৃ হত্যাকারী। মনে মনে তিনি প্রতিজ্ঞা করেন, সূর্যোদয় হলে তিনি পিতৃহন্তাকারীকে বধ করে প্রতিশোধ নেবেন। তাই তিনি বলেছিলেন যে, এই বিপক্ষ-শিবিরের মধ্যে মুরসেনাপতির সবচেয়ে বড়ো শত্রু স্বয়ং আরবসেনাপতিই ।

৪.৩ “আমাদের জাতীয় ধর্ম এই, প্রাণান্ত ও সর্বস্বান্ত হইলেও, অতিথির অনিষ্ট চিন্তা করি না।”


উত্তর
আলোচ্য অংশটি অদ্ভুত আতিথেয়তা গল্প থেকে নেওয়া হয়েছে বিদ্যাসাগর রচিত ।
আরবসেনাপতি আরব জাতির অতিথিপরায়ণতার বিষয়ে উক্ত বাক্যটি মুরসেনাপতিকে বলেছিলেন। আতিথেয়তা বিষয়ে পৃথিবীতে আরব জাতিই শ্রেষ্ঠ। কেউ অতিথিভাবে আরবদের আশ্রয়প্রার্থী হলে তাঁরা ক্ষমতা অনুযায়ী তাঁর পরিচর্যা করেন। সে ব্যক্তি শত্রু হলেও তার প্রতি এতটুকুও অনাদর, বিদ্বেষ প্রদর্শন বা বিপক্ষতাচরণ করেন না। আলোচ্য গল্পে, আরবসেনাপতি বিপক্ষ দলের সেনাপতিকেও অতিথিরূপে আশ্রয় দিয়েছেন ও যথাসাধ্য সেবাযত্ন করেছেন। এমনকি, মুরসেনাপতিই তাঁর পিতৃহন্তা জেনেও তিনি অতিথিসেবার ধর্ম থেকে বিচ্যুত হননি। মুরসেনাপতির বিদায়কালে আরবসেনাপতি নিজ জাতির আতিথ্যপ্রবণতা বিষয়ে উক্ত মন্তব্যটি করেছিলেন।

৫. নীচের প্রশ্নগুলির উত্তর নিজের ভাষায় লেখো।


৫.১ গল্পে কার আতিথেয়তার কথা রয়েছে? তিনি কীভাবে অতিথির আতিথেয়তা করেন ? তাঁর সেই আতিথেয়তা কে 'অদ্ভুত' আখ্যা দেওয়া হয়েছে কেন ?


উত্তরঃ আলোচ্য অংশটি অদ্ভুত আতিথেয়তা গল্প থেকে নেওয়া হয়েছে বিদ্যাসাগর রচিত ।
বিদ্যাসাগর রচিত 'অদ্ভূত আতিথেয়তা' গল্পে আরব সেনাপতির আতিথেয়তার কথা রয়েছে।
আরবজাতি আতিথেয়তার নিরিখে পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ জাতি। গল্পে আরবসেনাপতি সেই আরবজাতিরই প্রতিনিধি। মুরসেনাপতি বিপক্ষ দলের হলেও ক্লান্ত, ক্ষুধার্ত ও আশ্রয়প্রার্থী এই অতিথিকে আরবসেনাপতি নির্দ্বিধায় নিজ শিবিরে স্থান দিয়েছেন। বিশ্রাম, আহার-পানীয়ের সাধ্যমতো ভালো ব্যবস্থা করেছেন। এমনকি, মুরসেনাপতিই তাঁর পিতার হত্যাকারী  জেনেও আরবসেনাপতি তাঁকে নির্বিঘ্নে নিজের শিবিরে ফিরে যাবার জন্য দ্রুতগামী ঘোড়ার বন্দোবস্ত করে দেন। এরকম নিখুঁতভাবে আরবসেনাপতি মুরসেনাপতির পরিচর্যা করেছিলেন।
আশ্রয়প্রার্থী মুরসেনাপতি তাঁর পিতাকে হত্যা করেছেন জেনেও আরবসেনাপতি আপন কর্তব্যে অটল থেকে অতিথির সেবা করেছেন। পরম শত্রুকে হাতের কাছে চেয়ে প্রতিশোধপরায়ণতার পেয়েও তিনি অতিথিবৎসলতার ওপর জোর দিয়েছিলেন বলে তাঁর আতিথেয়তাকে ‘অদ্ভুত' বলা হয়েছে।


৫.২ আরব-মুর সংঘর্ষের ইতিহাসাশ্রিত কাহিনি অবলম্বনে রিচিত এই আখ্যানে লেখকের রচনাশৈলীর অনন্যতার পরিচয় দাও ।


উত্তর: আলোচ্য অংশটি অদ্ভুত আতিথেয়তা গল্প থেকে নেওয়া হয়েছে বিদ্যাসাগর রচিত ।
  গল্পটিতে এমন কথা বলা যায় না শুধুমাত্র তাঁর লেখার গুণে গল্পটির মধ্যে ফুটিয়ে তুলেছেন প্রাচীন সময়ের ছবি। বিদ্যাসাগরের ভাষা সংস্কৃত শব্দ এবং ভাষা সাধু ভাষায় পরিচালিত এই ভাষার ব্যবহার এখন কমে আসায় প্রাচীন ইতিহাস বর্ণনার ক্ষেত্রে এ ভাষার ব্যবহার অত্যন্ত যথাযথ। পাশাপাশি আরবদের তাঁবু, পাহারার ছবি, দুই তার সেনাপতির যুদ্ধ, নিয়ে আলোচনা, লড়াইয়ের খুঁটিনাটি
বর্ণনা এ গল্পে আছে। যুদ্ধের অন্যতম অংশ হিসেবে ঘোড়ার পা ব্যবহার, ঘোড়ায় চড়ে মুরসেনাপতির পলায়ন ও আরব সেনাপতির পিছু নেওয়া ইত্যাদি বর্ণনার মধ্যে বিস্মৃত ইতিহাসের একটি পাতা যেন পাঠকের চোখের সামনে ভেসে ওঠে। ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের অনন্য রচনাশৈলীর মাধ্যমেই অতীত যেন বর্তমানের মধ্যে ফুটে উঠেছে।


৫.৩ “আতিথেয়তা বিষয়ে পৃথিবীর কোনও জাতিই আরবদিগের তুল্য নহে।”—গল্পের ঘটনা বিশ্লেষণ করে মন্তব্যটির যথার্থতা প্রতিপন্ন করো।


উত্তর: আলোচ্য অংশটি অদ্ভুত আতিথেয়তা গল্প থেকে নেওয়া হয়েছে বিদ্যাসাগর রচিত ।
এই গল্পে দেখা যায় এক মুরসেনাপতি দিক ভুলে বিপক্ষ শিবিরে এসে উপস্থিত হয়েছেন। বিপক্ষ শিবির বলতে এখানে আরবদের শিবিরের কথা বলা হয়েছে। মুরসেনাপতি আশ্রয় প্রার্থনা করলে তাঁকে আশ্রয় দেওয়া হয় এবং তিনি সেখানে খাদ্য ও পানীয় সহযোগে বিশ্রাম করেন। তারপর মুর ও আরব সেনাপতির কথোপকথনের সময় যখন দেখা যায় যে মুরসেনাপতি আরবসেনাপতির পিতার হত্যাকারী, তখনও আরবসেনাপতি তাঁকে কিছু বলেন না। কারণ মুরসেনাপতি তাঁর অতিথি। তবে আরবসেনাপতি মনে মনে প্রতিজ্ঞা করেন, পরদিন সূর্যোদয়ের পর মুরসেনাপতি শিবির থেকে বেরিয়ে গেলেই তিনি তাঁর প্রাণ সংহারের জন্য চেষ্টা করবেন। পিতার হত্যাকারী জেনেও যথাযথ অতিথিসৎকারে কোনো ত্রুটি-সাধন আরবসেনাপতি করেননি। এই আলোচনাটি স্বার্থক হয়েছে ।


৫.৪ “বন্ধুভাবে উভয় সেনাপতির কথোপকথন হইতে লাগিল।”—কোন্ দুই সেনাপতির কথা এখানে বলা হয়েছে? তাঁদের কীভাবে সাক্ষাৎ ঘটেছিল ? উভয়ের কথোপকথনের সারমর্ম নিজের ভাষায় আলোচনা করো


উত্তরঃ আলোচ্য অংশটি অদ্ভুত আতিথেয়তা গল্প থেকে নেওয়া হয়েছে বিদ্যাসাগর রচিত । এখানে দুই সেনাপতি বলতে আরবসেনাপতি ও মুরসেনাপতির কথা বলা হয়েছে।
মুরসেনাপতিকে আরবসেনা তাড়া করলে দিক ভুল করে অত্যন্ত শ্রান্ত অবস্থায় তিনি আরবশিবিরে এসে হাজির হন। তিনি আরবসেনাপতির কাছে আশ্রয় ভিক্ষা চাইলে আরবসেনাপতি সে প্রার্থনা মঞ্জুর করেন এবং মুরসেনাপতিকে নিজের শিবিরে আশ্রয় দেন। এইভাবে দুই সেনাপতির সাক্ষাৎ ঘটে।
খাদ্য ও পানীয় সেবনের ফলে মুরসেনাপতির ক্লান্তি অনেকখানি দূর হলে দুই সেনাপতি বন্ধুর মতো গল্প করতে থাকেন। নিজেদের ও নিজেদের পূর্বপুরুষদের সাহস ও লড়াইয়ে গল্প করতে করতে আরবসেনাপতি জানতে পারেন যে মুরসেনাপতিই তাঁর পিতাকে হত্যার নির্দেশ দিয়েছিলেন। এ কথা জানতে পেরেই আরবসেনাপতি তাঁকে আক্রমণ না করে অতিথিধর্ম পালন করে সেখানে থেকে উঠে যান।


৫.৫ “তিনি নির্বিঘ্নে স্বপক্ষীয় শিবিরসন্নিবেশ স্থানে উপস্থিত হইলেন।”—কার কথা বলা হয়েছে? কীভাবে তিনি স্বপক্ষের শিবিরে নির্বিঘ্নে পৌঁছোলেন? তাঁর জীবনের এই ঘটনার পূর্বরাত্রের অভিজ্ঞতার কথা নিজের ভাষায় আলোচনা করো ।


উত্তর: আলোচ্য অংশটি অদ্ভুত আতিথেয়তা গল্প থেকে নেওয়া হয়েছে বিদ্যাসাগর রচিত । আরবসেনাপতি মুরসেনাপতিকে যে ঘোড়াটি দিয়েছিলেন, তা আরবসেনাপতির ঘোড়ার মতোই শক্তিশালী এবং দ্রুতগামী। যেহেতু মুরসেনাপতি কয়েক মুহূর্ত আগে রওনা দিয়েছিলেন, তাই আরবসেনাপতি পিছু নিয়েও তাঁকে ধরতে পারলেন না। তিনি নির্বিঘ্নেই নিজের শিবিরে পৌঁছেছিলেন।
নির্বিঘ্নে নিজের শিবিরে পৌঁছোনোর আগের রাতটা ছিল মুরসেনাপতির জীবনের এক ঘটনাবহুল এবং নিঃসন্দেহেই স্মরণীয় রাত। প্রথমত আরব সৈন্যরা তাঁকে তাড়া করলে তিনি প্রাণভয়ে পালান। কিন্তু প্রাণে বাঁচলেও তাঁর দিকভ্রম ঘটে। ভীষণ শ্রান্ত অবস্থায় মুরসেনাপতি এসে হাজির হন বিপক্ষ আরব শিবিরে। তাঁর বন্দিত্ব এক প্রকার নিশ্চিত থাকলেও আরবদের আতিথেয়তার কারণেই তাঁকে বন্দি করা হয় না। আরবদের আতিথেয়তায় খাদ্য ও পানীয় গ্রহণের ফলে তাঁর ক্লান্তি দূর হলে আরবসেনাপতি নিজে এসে তাঁর সঙ্গে বন্ধুর মতো গল্প করেন। এই কথোপকথনের সময়েই মুরসেনাপতি অসতর্কভাবে প্রকাশ করে ফেলেন যে তিনিই আরবসেনাপতির পিতৃহন্তা। কিন্তু তা সত্ত্বেও আতিথেয়তার কোনো ত্রুটি রাখেন না আরবসেনাপতি। পরদিন সূর্যোদয়ের আগে মুরসেনাপতি তাঁর ভুল বুঝতে পারেন। কিন্তু আরবসেনাপতির বদান্যতায় প্রাণে বেঁচে যান। সেই রাতের অভিজ্ঞতা তাঁর জীবনের এক মহান শিক্ষা হয়ে ওঠে।


৫.৬ “তাঁহার অনুসরণ করিতেছিলেন...”–কার কথা বলা হয়েছে? তিনি কাকে অনুসরণ করছিলেন? তাঁর এই অনুসরণের কারণ কী? শত্রুকে কাছে পেয়েও তিনি ‘বৈরসাধন সংকল্প’ সাধন করেননি কেন?


উত্তরঃ। আলোচ্য অংশটি অদ্ভুত আতিথেয়তা গল্প থেকে নেওয়া হয়েছে বিদ্যাসাগর রচিত ।মুরসেনাপতিকে অনুসরণের কথা বলা হয়েছে।
আরবসেনাপতি তার আগের রাত্রে বিপন্ন ও ক্লান্ত মুরসেনাপতিকে আশ্রয় দান করেন এবং তাঁর খাবার খাওয়া হলে তাঁর সঙ্গে বন্ধুর মতো গল্প করতে থাকেন। তখনই তিনি জানতে পারেন যে যাঁকে তিনি আশ্রয় দিয়েছেন, সেই তাঁর পিতার হত্যার জন্য দায়ী। আরবদের আতিথেয়তার রীতি মেনে তিনি পিতৃহত্যাকারীকে আক্রমণ করেননি। কিন্তু মুরসেনাপতি আরব শিবির ছেড়ে বেরোনোর পর আরবসেনাপতি পিতৃহত্যার প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য মুরসেনাপতিকে  অনুসরণ করেন।
শত্রু মুরসেনাপতিকে হাতের মুঠোয় পেয়েও আরবসেনাপতি তাঁকে আক্রমণ করেননি, কারণ তিনি ছিলেন তাঁর অতিথি। কেউ অতিথি হিসেবে আরবদের কাছে উপস্থিত হলে তাঁরা সাধ্য অনুযায়ী তার পরিচর্যা করেন, এমনকি চরম শত্রু হলেও কোনো প্রকার বিদ্বেষপোষণ বা আক্রমণ করেন না।

আরো পোস্ট পেতে এখানে ক্লিক করুন Class 8 বাংলা 


বোঝাপড়া

অদ্ভুত আতিথেয়তা


Post a Comment

0 Comments