হারিয়ে যাওয়া কালি কলম শ্রীপান্থ । হারিয়ে যাওয়া কালি কলম বড় প্রশ্নের উত্তর । হারিয়ে যাওয়া কালি কলম প্রবন্ধের বিষয়বস্তু। হারিয়ে যাওয়া কালি কলম প্রবন্ধ অনুসরণে বিভিন্ন প্রকার কলমের পরিচয় দাও

 




হারিয়ে যাওয়া কালি কলম

শ্রীপান্থ


            সূচিপত্র

  • লেখক পরিচিতি
  • বিষয়সংক্ষেপ
  • উৎস
  • নামকরণ
  • বহু বিকল্প ভিত্তিক প্রশ্ন
  • অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন
  • সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন
  • রচনাধর্মী প্রশ্ন



লেখক পরিচিতি


খ্যাতনামা প্রাবন্ধিক ও সাংবাদিক নিখিল সরকারের জন্ম ১৯৩২ সালে অধুনা বাংলাদেশের ময়মনসিংহ জেলায়। তাঁর লেখাপড়ার আরম্ভ ময়মনসিংহে হলেও পরবর্তীকালে তিনি কলকাতায় চলে আসেন। খুব অল্প বয়সেই নিখিল সরকার সাংবাদিকতার সঙ্গে যুক্ত হয়েছিলেন। সাংবাদিক হিসেবে অত্যন্ত কৃতী ও সফল এই মানুষটি ‘শ্রীপান্থ’ ছদ্মনামেই বেশি পরিচিত তিনি আনন্দবাজার পত্রিকার সম্পাদকীয় বিভাগে দীর্ঘকাল চাকুরিরত ছিলেন। তবে পেশায় সাংবাদিক হলেও গবেষক ও জ্ঞানপিপাসু এই চিন্তাবিদ নানান বিষয়ে বহুকাল গবেষণাধর্মী কাজ করেছেন। বিভিন্ন বিষয়ে তাঁর গভীর পড়াশোনা ছিল। বিশেষত কলকাতার সমাজ-সংস্কৃতি এবং সামাজিক ইতিহাস ছিল শ্রীপান্থের আকর্ষণের বিষয়। ‘দেবদাসী’, ‘ঠগী’, ‘হারেমী’ প্রভৃতি বইগুলিতে শ্রীপান্থের ইতিহাসবোধ, সমাজমনস্কতা এবং মননশীলতার বিস্তৃত পরিচয় মেলে।  তাঁর প্রবন্ধের ভাষা প্রাঞ্জল ও রসবোধপূর্ণ হওয়ার যে-কোনো বিষয়কেই তিনি পাঠকের কাছে আকর্ষণীয় করে তুলতে জানতেন।  ১৯৭৮ সালে তিনি আনন্দ পুরস্কার লাভ করেন। বাংলা ভাষায় মননশীল লেখালেখির জগতে শ্রীপান্থ একজন প্রথম শ্রেণির প্রাবন্ধিক হিসেবেই পরিগণিত হন। গবেষক ও চিন্তাশীল এই লেখকের ২০০৪ সালে মৃত্যু হয়।

উৎস

‘শ্রীপান্থ’ ছদ্মনামের আড়ালে লেখক শ্রী নিখিল সরকার রচিত ‘হারিয়ে যাওয়া কালি কলম' প্রবন্ধটি তাঁর 'হারিয়ে যাওয়া কালি কলম ও মন' গ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত।

বিষয়বস্তু

নতুনকে জায়গা করে দিতে গিয়ে অনেক পুরোনো অভ্যাস আমাদের ছাড়তে হয়। এ নিয়ে তর্ক-বিতর্ক সরিয়ে রেখে স্রেফ যুগের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে গিয়ে নতুনের সাথে সখ্য গড়ে ওঠে কিন্তু আজকে আমরা যে পথে হাঁটছি সেই পথচলার শুরুটাতো আমরা অস্বীকার করতে পারি না।  জীবনের অন্যান্য ক্ষেত্রের মতো লেখালেখির ক্ষেত্রেও বিজ্ঞানের যে প্রভূত উন্নতি ঘটেছে সে কথা বোঝাতে গিয়ে তিনি কম্পিউটার আর কলমের মধ্যকার প্রতিযোগিতা ও পার্থক্যের কথাটা পাঠকের কাছে তুলে ধরেছেন। লেখক পত্রিকা অফিসে কাজ করতেন । লেখার কাজটাই যেখানে মুখ্য, সেখানে কলমই থাকে। আর তার আবেগতাড়িত হয়ে লেখক কলমের ধারাবাহিক ক্রমবিকাশ বদলে গিয়ে জায়গা করে নিয়েছে কম্পিউটারের পর্দা আর কি-বোর্ড। অবলুপ্তির একটা আভাস দেওয়ার চেষ্টা করেছেন এই প্রবন্ধে। লেখক গ্রামের ছেলে, পঞ্চাশ-ষাট বছর আগে রোগা-কঞ্চির কলম, ঘরে তৈরি কালি ও কলার পাতায় তাঁর শৈশবের লেখা শুরু। এই প্রসঙ্গে তিনি প্রাচীন মিশর-সহ অন্যান্য সভ্যতায় প্রচলিত বিভিন্ন কলমের ব্যবহারের কথা তুলে ধরেছেন। পালকের কলম অর্থাৎ কুইলও লেখকের চোখে পড়েছে। তারপর আস্তে আস্তে এইসব কলম সরে গিয়ে জায়গা করে নেয় ডটপেন বা বলপেন। কলম নিয়ে ছেলেবেলায় বেশ রঙ্গরসিকতাও চলত। কখনও তা স্থান পেত মোজায়, কখনও কাঁধের পকেটে, কখনও বা মাথার খোঁপায়। একটা সময় তো পকেটমাররাও কলম নিয়ে হাতসাফাইয়ের কাজ করত দেখা যেত তবে বর্তমানে কলম এতটাই সস্তা ও সর্বজনীন হয়েছে যে তাদের কাছেও তা যেন অস্পৃশ্য। তবে কঞ্চি বা খাগের কলম থেকে ডটপেন বা বলপেনের যুগ শুরুর মাঝে কলমের দুনিয়ায় বিপ্লব ঘটায় লুইস অ্যাডসন ওয়াটারম্যানের ফাউন্টেন পেন, রবীন্দ্রনাথ যার নাম দেন ঝরনা কলম। লেখকের কথায় বিখ্যাত সব কোম্পানি, নাম ছিল—পার্কার, শেফার্ড, ওয়াটারম্যান, সোয়ান, পাইলট; এদের তৈরি পেনই বাজার দাপিয়ে বেড়াত। আমাদের বাঙালি লেখকদেরও এই ঝরনা কলম বেশ পেয়ে বসেছিল। শৈলজানন্দ, শরৎচন্দ্র প্রভৃতি লেখকরা তো রীতিমতো কলমের সংগ্রাহক ছিলেন। শুধু কলম নয় কালি, দোয়াত নিয়েও বিভিন্ন শৌখিনতার পরিচয় পাওয়া যায়। সুভোঠাকুরের দোয়াত সংগ্রহ দেখে লেখক অবাক হয়েছিলেন। তবে এইসব লিখনসামগ্রীকে কম্পিউটার জাদুঘরে পাঠাবার প্রতিজ্ঞা করলেও তা কিন্তু সম্ভব নয়। কেননা লিপিকুশলীদের যেসব অত্যাশ্চর্য সৃষ্টি তা আমাদের সম্পদ। এককালে রাজ-রাজারা, জমিদাররা এদের কত সম্মান করতেন। কলমকে তলোয়ারের চেয়েও শক্তিধর বলা হয়—ইতিহাসে এ সাক্ষ্য আছে। তবে যন্ত্রযুগের গ্রাস থেকে কলমকে বাঁচিয়ে রাখার প্রয়াস সত্যজিৎ রায়ের মধ্যে দেখে লেখক আশ্বস্ত হয়েছিলেন। রবীন্দ্রনাথের পাণ্ডুলিপির পাতায় তার চিত্রশিল্পের প্রসঙ্গ টেনে তিনি যন্ত্রের ছবি আর মানুষের হাতে আঁকা ছবির তুলনা টেনেছেন।
সবশেষে লেখকের সরল স্বীকারোক্তি এই যে, তিনি কালিখেকে কলমের ভক্ত হলেও ফাউন্টেন পেন বা বলপেনের সাথে তাঁর কোনোরকম বিবাদ নেই। এর দ্বারা লেখক ঐতিহ্যের প্রতি শ্রদ্ধ রেখে সময়কে মেনে নিয়েছেন।

নামকরণ


নামকরণ হলো যে কোন সাহিত্যের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় । কারণ নামকরণের মাধ্যমে লেখক এর মনের ভাবনাকে ফুটিয়ে তুলতে সাহায্য করে, নামকরণ চরিত্র কেন্দ্রিক বিষয়প্রধান কিংবা ব্যঞ্জনা বাহির হয়েও থাকে । নিখিল সরকার হারিয়ে যাওয়া কালি কলম প্রবন্ধে ঐতিহাসিক যাত্রাপথের এক প্রাণবন্ত বিবরণ পেশ করেছেন । সুমেরীয়দের নলখাগড়া ও ফিনিসীয়দের হাড় কিংবা চীনাদের তুলির হাত ধরেই যিশুখ্রিস্টের জন্মের কত বছর আগে এই কলম তৈরি হয়েছিল । আবার রোমান সম্রাট জুলিয়াস সিজার কলম হিসেবে ব্যবহার করতেন স্টাইলাস । পরে বিবর্তনের পথ ধরে লেখকদের ছোটবেলায় হয়ে উঠেছিল বাঁশের কঞ্চির কলম রান্নার কড়াইয়ের তলাযূ কালি লাউ পাতা দিয়ে তুলে জ্বলে পুলে গরম খুন্তির ছ্যাকা দিয়ে কালি তৈরি করা হতো। সেই সময় কলম ও কালি দোয়াতে নানাবিধ এসব আয়োজনে লেখালেখি যেন একটা ছোটখাটো অনুষ্ঠান হয়ে  উঠতো। তারপর ফাউন্টেন পেনের দুনিয়ায় এক সত্যিকারের বিপ্লব ঘটালো । এই ভাবেই তারপরে বিবর্তনের পথে কম্পিউটার যেন তাদের জাদুঘরে পাঠাবে বলে সংকল্প করে বসে আছে কেবল তিনি কলমের সঙ্গে তার আবেগ ভালোবাসা ও মানবিকতার সম্পর্কটুকুও আঁকড়ে ধরে বেঁচে থাকতে চান আসলে যন্ত্রযুগের নিষ্ঠুর আগ্রাসনে কালী কলমের হারিয়ে যাওয়া এক প্রকার নিশ্চিত এই আক্ষেপ ও বিষাদের ভর করেই তিনি রচনাটি হারিয়ে যাওয়া কালি কলম নামকরণ করেন এই নামকরণ যথার্থই সার্থক হয়ে ওঠে বলা যায়  ।
১. সঠিক উত্তরটি বেছে নিয়ে লেখ ।


১.১ কিসে লিখে লেখক এর সুখ নেই -


ক) কম্পিউটারের
খ) টাইপ রাইটারের
গ)গলা শুকনো ভোতা মুখ কলমে
ঘ) ফাউন্টেন পেনে ।


উত্তর গলা শুকনো ভোতা মুখ কলমে


১.২ ত্রিফলা বলতে যে তিনটি ফল কে বোঝায় সেগুলি হল -


ক ) হরীতকী ,সুপারি ,এলাচ
খ) হরীতকী, সুপারি, আমলকি
গ) বহেড়া, হরীতকী ,আমলকি
ঘ) বহেড়া, সুপারি ,আমলকি


উত্তর বহেড়া, হরীতকী ,আমলকি


১.৩ স্টাইলাস আসলে কী -


ক) প্লাটিনাম শলাকা
খ) লৌহ শলাকা,
গ) ব্রোঞ্জের শলাকা

ঘ) তামার শলাকা।


উত্তর ব্রোঞ্জের শলাকা


১.৪ লেখক তার ফাউন্টেন পেন কবে কেনেন-


ক) প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর
খ) দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর
গ) ভারত বর্ষ স্বাধীনতার পর
ঘ) ভারত বর্ষ স্বাধীনতার আগে ।


উত্তর দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর


১.৫ আদিতে ফাউন্টেন পেন এর নাম কি ছিল -


ক) ঝরনার পেন
খ) ফাউন্টেন পেন
গ) রিজার্ভার পেন
ঘ) শেফার্ড


উত্তর রিজার্ভার পেন


১.৬ আধুনিক ফাউন্টেন পেনের নির্মাতা কে -


ক) ওয়াটার ম্যান
খ) লুইস ওয়াল্টার
গ) অ্যান্ডারসন
ঘ) জন স্টিভেনসন ।


উত্তর ওয়াটার ম্যান


১.৭ ফাউন্টেন পেনের পর বাজারে এল -


ক) খাগের কলম
খ) কঞ্চির কলম
গ) বল পেন
ঘ) পালকের কলম


উত্তর বল পেন


১.৮ চীনারা চিরকাল লিখে আসছে-


ক)তুলিতে
খ)খাগড়ার কলমে
গ)ব্রোঞ্জের কলমে
ঘ)কুইলে


উত্তর তুলিতে


১.৯ কুইল হল -


ক ) খাগের কলম
খ) পালকের কলম
গ)খাগড়ার কলম
ঘ)কঞ্চির কলম


উত্তর পালকের কলম


১.১০ বাবু কুইল ড্রাইভারস কথাটি বলেছেন -


ক ) লর্ড বেন্টিং
খ) লর্ড কার্জন
গ) উইলিয়াম কেরি
ঘ)হেস্টিংস


উত্তর লর্ড কার্জন


১.১১ কলমের দুনিয়ায় সত্যিকারের বিপ্লব ঘটায় -


ক ) ব্রোঞ্জের চলাকা
খ) বলপেন
গ) ফাউন্টেন পেন
ঘ)পালকের পেন।


উত্তর ফাউন্টেন পেন


১.১২ ফাউন্টেন পেনের বাংলা নাম ঝরনা কলম কে দেন -


ক) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
খ) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
গ) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
ঘ) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর


উত্তর রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর


১.১৩ লেখক যে ফাউন্টেন পেন কিনেছিলেন তার নাম কি -


ক) পার্কার
খ) শেফার্ড
গ)ওয়াটারম্যান
ঘ)জাপানি পাইলট


উত্তর জাপানি পাইলট


১.১৪ যারা ওস্তাদ কলমবাজ তাদের বলা হত -


ক) ক্যালিগ্রাফিস্ট
খ) স্টেনোগ্রাফার
গ) টাইপিস্ট
ঘ) জার্নালিস্ট


উত্তর ক্যালিগ্রাফিস্ট


১.১৫ সিজার যে কলমটি দিয়ে কাসকাকে আঘাত করেছিল তার পোশাকি নাম -


ক) রিজার্ভার
খ) স্টাইলাস
গ) পার্কার
ঘ) পাইলট


উত্তর স্টাইলাস

আরো পোস্ট পেতে এখানে ক্লিক করুন Class 10 বাংলা 

জ্ঞানচক্ষু

অসুখী একজন

আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি

আফ্রিকা কবিতা

হারিয়ে যাওয়া কালি কলম

বহুরূপী

সিরাজদ্দৌলা

অভিষেক

প্রলয়োল্লাস


আরো পোস্ট পেতে এখানে ক্লিক করুন Class 10

Father's Help Lesson 1 Unit 1

Father's Help Lesson 1 Unit 2

Father's Help Lesson 1 Unit 3

The Passing Away of Bapu Unit 1

The Passing Away of Bapu Unit 2

The Passing Away of Bapu Unit 3

Fable Lesson 2


২. কমবেশি কুড়িটি শব্দের মধ্যে উত্তর দাও


২.১  ------- লিখে তিনজন এই তিনজন কে কে ?


উত্তর এই তিনজন হল কালি কলম আর মন ।


২.২ কিন্তু আমি ছাড়া কারো হাতে কলম নেই কেন ?


উত্তর লেখক একটি সংবাদপত্র অফিসে কাজ করতেন । সেখানে একমাত্র তিনি কলমে লিখতেন বাকি সকলে লিখতেন কম্পিউটারে তাই কারো হাতে কলম থাকতো না।
২.৩ লেখকরা মাঝে মাঝে লেখা থামিয়ে পর্দাযর দিকে তাকাচ্ছেন কেন ?


উত্তর লেখকরা ইতিমধ্যে যা লিখেছেন তা পর্দায় ফুটে উঠেছে সেগুলি পড়ার জন্যই তারা মাঝে মাঝে পর্দার দিকে তাকাচ্ছেন ।


২.৪ লেখকেরা কিভাবে সহজ পদ্ধতিতে কালি তৈরি করতেন ?


উত্তর কড়াইয়ের ভূষকালি জলে গুলে তাতে হরিতকী ঘোষে চাল পোড়া মিশিয়ে খুন্তিকে লাল করে পুড়িয়ে কালি তৈরি করতো।


২.৫ কুইল কী ?


উত্তর পালকের কলমের ইংরেজি নাম হল কুইল । লর্ড কার্জন বাঙালি সাংবাদিকদের ইংরেজি দেখে নাম দেন বাবু কুইল ডাইভার্স এই কুইল শুধুমাত্র পুরনো দিনের ছবিতেই দেখা যায়।


২.৬ জন্ম নিল ফাউন্টেন পেন ফাউন্টেন পেনের জন্ম  উল্লেখ কর ?


উত্তর লুইস অ্যাডশন ওয়াটারম্যান একবার একটি চুক্তিপত্র সই করার সময় দোয়াত উলটে যাওয়ার চুক্তি বাতিল হয়ে যায়। এরই একটি বিহিত করতে তিনি ফাউন্টেন পেন আবিষ্কার করেন।


২.৭ সেই আঘাতেরই পরিণতি নাকি তার মৃত্যু কোন আঘাতের পরিণতির কথা বলা হয়েছে ?


উত্তর বাংলা সাহিত্যে স্রষ্ঠা ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায় নিজের হাতে কলম অসাবধানতাবশত বুকে বিধে মারা যান। সে ঘটনার কথা বলা হয়েছে।


২.৮ লেখক ছোটবেলায় কিসে হোম টাস করতেন ?


উত্তর লেখক কলাপাতা কেটে কাগজের মতো সাইজ করে হোম টাক্স করতেন ।


২.৯ ফাউন্টেন পেনের আবিষ্কারক কে ?


উত্তর লুইস অ্যাডসন ওয়াটারম্যান ।


২.১০ দুইজন সাহিত্যিকের নাম লেখ যাদের নেশা ছিল ফাউন্টেন পেন সংগ্রহ করা ।


উত্তর শৈলজানন্দ মুখোপাধ্যায় আর শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় এরা দুইজন সাহিত্যিক ছিল যার নেশা ছিল ফাউন্টেন পেন সংগ্রহ করা।

২.১১ যার পোশাকি নাম স্টাইলাস - স্টাইলাস বলতে কী বোঝানো হয়েছে ?


উত্তর জুলিয়াস সিজার যে কলম ব্যবহার করতেন তার পোশাকি নাম স্টাইলাস এটি ব্রোঞ্জের শলাকা ছিল ।


২.১২ ক্যালিগ্রাফিস্ট কাদের বলে ?


উত্তর হারিয়ে যাওয়া কালি কলম এই প্রবন্ধ অনুসারে মধ্যযুগের পরবর্তীকালে যারা ছিলেন কলমে ওস্তাদ সে সমস্ত লিপির লেখা পুঁথি দেখলে চোখ জুড়িয়ে যায় তাদের বলা হতো ক্যালিগ্রাফিস্ট ।


২.১৩ রিজার্ভার পেন কী ?


উত্তর হারিয়ে যাওয়া কালি কলম রচনা অনুসারে ফাউন্টেন পেনের নাম ছিল রিজার্ভার পেন । ওয়াটারম্যান তাকে উন্নত করে এই ফাউন্টেন পেন তৈরি করে ।


২.১৪ হারিয়ে যাওয়া কালি কলমে সবচেয়ে দামি কলমটির নাম কী?


উত্তর শ্রীপ্রান্থর রচিত হারিয়ে যাওয়া কালি কলম রচনার অংশ এখানে সবচেয়ে দামি কলমটি হলো আড়াই হাজার পাউন্ড । এখনকার বাজারদরে এক পাউন্ড সমান ৭৫ টাকা হিসেবে ভারতীয় মুদ্রায় এক লক্ষ ৮৭৫০০ টাকা।


৩ . কমবেশি ৬০ টি শব্দের মধ্যে উত্তর দাও ।


৩.১ আশ্চর্য সবই আজ অবলুপ্তির পথে কোন জিনিসের আজ অবলুপ্তির পথে ? এ বিষয়ে লেখকের মতামত কী?


উত্তর আলোচ্য অংশটি হারিয়ে যাওয়া কালি কলম প্রবন্ধের অংশ লেখক শ্রী প্রান্ত দ্বারা রচিত আধুনিকতার ফলে ক্রমশ অবলুপ্ত হতে থাকা  কলমের কথা বলা হয়েছে ।
নতুন বল পেন ,দোয়াত কালি, নিবের কলমের স্থান দখল করেছে অনেক আগেই । বিজ্ঞানী দের উন্নতির ফলে কম্পিউটার আশায় কলমের মহিমা হারাতে বসেছে।
কম্পিউটার কল্যাণের কলমের অবলুপ্তিতে লেখক বিপন্ন বোধ করেছে তিনি মনে করেছেন কম্পিউটার যেন তাদের জাদুঘরে পাঠাবে বলে প্রতিজ্ঞা করেছে। বাঁশের কলম, খাগের কলম বলপেন এগুলি সবই প্রায় আত্ম সমর্পন করে আজ বিপন্ন বোধ করছে। যদি হাতের লেখা মুছে যায় চিরকালের জন্য এই হতাশা চিন্তায় তিনি বিচলিত হয়ে উঠেছেন । এই অবলুপ্তির কথা ভেবে লেখক আতঙ্কিত হয়েছেন ।


৩.২ হারিয়ে যাওয়া কালি কলম প্রবন্ধে যে নানান ধরনের কলমের বর্ণনা রয়েছে তা আলোচনা কর ।


উত্তর আলোচ্য অংশটি শ্রী প্রান্থ রচিত হারিয়ে যাওয়া কালি কলমের অংশ । একসময় কলম তৈরি হতো সরু বাঁশের কঞ্চি কেটে । যিশুখ্রিস্টের জন্মের আগে হার নলখাগড়া প্রভৃতি দিয়ে কলম বানানো হতো তারপরে এলো স্টাইলাস ব্রোঞ্জের শলাকা দিয়ে তৈরি কলম এছাড়া চীনারা চিরকালই তুলিতে লিখতো । আবার সরস্বতী পূজায় দেখা যায় খাগের কলম । একসময় পাখির পালকের মুখ সরু করে তৈরি হতো কলম যার নাম ছিল কুইল আধুনিক যুগে সস্তা ও সহজলভ্য কলম কে বলে ডট পেন বা বলপেন । তবে কলমের দুনিয়ায় বিপ্লবের নেচে ফাউন্টেন পেন বা ঝরনা কলম। প্রাবন্ধিক প্রসঙ্গে এই কলম বিকাশ ও বিবর্তনের যাত্রা পথটিকেই ফুটিয়ে তুলেছে ।


৪. কম-বেশি ১৫০ শব্দের মধ্যে উত্তর লেখ ।


৪.১ 'জন্ম নিল ফাউন্টেন পেন।-ফাউন্টেন পেনের স্রষ্টা কে? বাংলায় কে এই পেনের নামকরণ করেছিলেন? ফাউন্টেন পেনের জন্ম বৃত্তান্তটি সংক্ষেপে লেখো।


উত্তর আলোচ্য অংশটি শ্রী প্রান্থ রচিত হারিয়ে যাওয়া কালি কলম প্রবন্ধের অংশ । ফাউন্টেন পেনের স্রষ্টা হলেন লুইস অ্যাডশন ওয়াটার ম্যান ।
বাংলায় এই পেনের নামকরণ করেছিলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর । তিনি এই পেনের নাম দেন ঝরনা কলম ।
পৃথিবীর প্রতিটি আবিষ্কারের পেছনে থাকে নানান গল্প বা ঘটনা তবে প্রয়োজনের তাগিদে যে আবিষ্কার সকলকেই মানতে বাধ্য করতে হয় । ওয়াটারম্যান ফাউন্টেন পেন আবিষ্কারের পিছনেও একটি ঘটনা রয়েছে । উনি ছিলেন একজন ব্যবসায়ী সেই সময়ে ব্যবসায়ীদের মতো তিনিও দোয়াত-কলম নিয়ে কাজে বের হতেন । একবার তিনি এক ব্যবসায়ীর সাথে চুক্তিপত্র সই করতে গিয়েছিলেন। দলিল কিছুটা লেখা হয়েছিল সেই সময় হঠাৎ দোয়া ত কাগজে পড়ে যায় । এইভাবে সমস্ত কালি নষ্ট হয়ে যাওয়ায় তিনি আবার কালির সন্ধানে ছুটছিলেন ফিরে এসে শোনেন ইতিমধ্যেই একজন ব্যবসায়ীর সাথে তার চুক্তি পাকা হয়ে গেছে। এই ঘটনার পর ওয়াটারম্যান প্রতিজ্ঞা করেন এর একটা বিহিত হওয়া উচিত এর পরেই তার প্রচেষ্টায় জন্ম নেয় ফাউন্টেন পেন ।

৪.২ কালি কলমের প্রতি ভালোবাসা হারিয়ে যাওয়া কালি কলম প্রবন্ধে কিভাবে ফুটে উঠেছে তা আলোচনা কর ।


উত্তর আলোচ্য অংশটি হারিয়ে যাওয়া কালি কলম প্রবন্ধ থেকে নেওয়া হয়েছে শ্রী প্রান্থ রচিত উপরিক্ত মন্তব্যের দ্বারা লেখকের মতামত হারিয়ে যাওয়া কালি কলমের প্রতি যে ভালোবাসা ফুটে উঠেছে তা হল ছোটবেলায় লেখক তার গ্রামের বাড়িতে নিজের হাতে কালিকলম বানিয়ে নিত । বাঁশের কঞ্চি কেটে তৈরি হতো কলম । রান্নার কড়াই এর নিচে ভূষকালি লাউ পাতা দিয়ে ঘষে জলে গুলে ফুটিয়ে কালি বানানো হতো । তারপর বাঁশের কলমের বদলে জায়গা করে নিল ফাউন্টেন পেন । ফাউন্টেন পেনের প্রেমে পড়ে গেলেন লেখক । এরপর বাজারে এলো বল পয়েন্ট পেন সেই পিন লেখকের মনে ধরল না যদিও সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে গিয়ে তার কাছেই আত্মসমপর্ণ করতে হলো তাকে।  যন্ত্র সভ্যতার হাত ধরে এল কম্পিউটার তিন ফুরোলো কলমের এখন সবাই কম্পিউটারে লেখে কিন্তু লেখক তার মত কিছু মানুষ এখনো কলম ফেলে কম্পিউটারকে আপন করতে পারেনি। তাই যন্ত্রের দাপটে কালী কলমেরই হারিয়ে যাওয়ার যুগে লেখক বারবার আঁকড়ে ধরেছেন তার ছোটবেলার কলমের স্মৃতিকে হারিয়ে যাওয়া সেইসব কালি কলমের কথা ভেবে ভারাক্রান্ত হয়ে উঠেছে তার মন ভালো।

আরো পোস্ট পেতে এখানে ক্লিক করুন Class 10 বাংলা 

জ্ঞানচক্ষু

অসুখী একজন

আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি

আফ্রিকা কবিতা

হারিয়ে যাওয়া কালি কলম

বহুরূপী

সিরাজদ্দৌলা

অভিষেক

প্রলয়োল্লাস


আরো পোস্ট পেতে এখানে ক্লিক করুন Class 10

Father's Help Lesson 1 Unit 1

Father's Help Lesson 1 Unit 2

Father's Help Lesson 1 Unit 3

The Passing Away of Bapu Unit 1

The Passing Away of Bapu Unit 2

The Passing Away of Bapu Unit 3

Fable Lesson 2




Post a Comment

0 Comments