সূচিপত্র
- লেখক পরিচিতি
- উৎস
- পাঠপ্রসঙ্গ
- বিষয়সংক্ষেপ
- নামকরণ
- অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন
- সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন
- দুটি বাক্য পরিণত করে
- রচনাধর্মী প্রশ্ন
চিঠি
জসীমউদ্দীন
- লেখক পরিচিতি
- উৎস
- পাঠপ্রসঙ্গ
- বিষয়সংক্ষেপ
- নামকরণ
- অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন
- সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন
- দুটি বাক্য পরিণত করে
- রচনাধর্মী প্রশ্ন
কবি পরিচিতি
বাংলা কাব্যজগতে তিনি ‘পল্লিকবি’ হিসেবে পরিচিত । এরপর তিনি বেশ কিছুকাল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনা করেন জসীমউদ্দিন পল্লিপ্রকৃতি ও পল্লিজীবনকে সার্থকভাবে তুলে ধরেছেন তাঁর লেখায়। তিনি ১৯০২ খ্রিস্টাব্দের (মতান্তরে ১৯০৮ খ্রিস্টাব্দে) ১ জানুয়ারি বর্তমান বাংলাদেশের ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতার নাম আনসারউদ্দিন আহমেদ এবং মাতার নাম ছিল আমিনা খাতুন। ফরিদপুরে স্কুল-কলেজের পাঠ সমাপ্ত করে তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বঙ্গভাষা ও সাহিত্যে এম এ পাস করেন। ১৯৭২ খ্রিস্টাব্দে রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তাঁকে সাম্মানিক ডিলিট উপাধি প্রদান করা হয়। বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি কর্তৃক কবি সম্মানিত হন ‘একুশ পদক’ দ্বারা। তাঁর লেখা কাব্যগ্রন্থগুলির মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল ‘রাখালী’, ‘নক্শী কাঁথার মাঠ’, ‘বালুচর’,‘সোজন বাদিয়ার ঘাট’, ‘ধানক্ষেত’, ‘মাটির কান্না’, ‘গাঙের পার’ ইত্যাদি। ১৯৭৬ খ্রিস্টাব্দের ১৪ মার্চ কবির জীবনাবসান ঘটে।
উৎস
পাঠ্য ‘চিঠি’ কবিতাটি পল্লিকবি জসীমউদ্দিন-এর ‘বালুচর' (১৯৩০) কাব্যগ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে ।
পাঠ প্রসঙ্গ
প্রকৃতির সঙ্গে মানবজীবনের সম্পর্ক অতি গভীর। প্রকৃতি নানা অনুসঙ্গে মানবমনে প্রভাব বিস্তার করে। প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে আমাদের চিন্তা-চেতনার সঙ্গে জড়িয়ে থাকে প্রকৃতি। সেই প্রকৃতি কখনো-কখনো চিঠি হয়ে ধরা দেয় কবির কলমে। কবি বা পাঠককে পরিচিত করে প্রকৃতির রূপ-রস-গন্ধ ও স্পর্শের সঙ্গে। কবি জসীমউদ্দিনের ‘চিঠি’ কবিতা যেন সেই প্রসঙ্গের প্রতিই আলোকপাত করেছে।
বিষয় সংক্ষেপ
প্রথম স্তরে লাল মোরগের ডাকে কবি জেগে উঠেছেন
সূর্যের প্রথম কিরণের স্পর্শে তার ডানাগুলি নাড়ানোর মধ্য দিয়ে আকাশ জুড়ে, বাতাসের উথালপাতাল রূপটি যেন কারো কণ্ঠের ঊষার রঙিন হাসি যেন কবির কাছে মূর্ত হয়ে উঠেছে। নদীর চরে বালির উপর চখাচখির ডাকে কবি যেন বর্ষাস্নাত প্রকৃতির চিঠি পেয়েছেন। নদীর বুকে গাঙশালিকের মাতামাতিও কবিকে আনন্দিত করেছে। বর্ষাপুষ্ট নদীর ঢেউ যেন গাঙশালিককে মোড়ল হতে বলেছে এবং সেই কথাই নদীর উজান স্রোতের নিরন্তর কলকল ধ্বনির মধ্য দিয়ে প্রকাশিত ।
দ্বিতীয় স্তরে বাবুই পাখি যেন তার বাসা থেকে চিঠি দিয়েছে, তার বাসা ধান-তাল ইত্যাদি গাছের পাতা দিয়ে তৈরি। কোড়াকুড়ী বর্ষাকালের জলে উচ্ছ্বসিত খেতের ফসলের কথা
জানিয়েছে তার চিঠিতে। সেই সঙ্গে গুরুগুরু স্বরে মেঘ ডাকছে আকুল ডাক, উদাস স্বরে কেউ যেন কারও প্রতীক্ষায় রয়েছে। বহুগুণ বেড়ে গিয়েছে একটি চিঠিতে। চিঠিটি তার ছোট্ট ভাইয়ের
তৃতীয় স্তরে প্রকৃতির এই আনন্দের ডালি কবির কাছে লেখা। বর্ষাকালেও চিঠিটি যেন শীতের রোদের মতো মৃদু আমেজে ভরপুর। পাখিরা রোদের আকাশের একদিক থেকে অন্যদিকে উড়ে বেড়ায়, মেঘের রাজ্যে উঁকিঝুঁকি মারে, খোকা ভাইয়ের চিঠি তেমনি খুশির ডালি সাজিয়ে উপস্থিত বহুদূর থেকে। কবির একাকিত্ব কাটিয়ে দিয়ে চিঠিটি যেন তার প্রাণে খুশির নূপুর বাজিয়ে তুলেছে।
নামকরণ
সাহিত্যের একটি প্রধান উপাদান হল নামকরণ। প্রধানত নামকরণের মাধ্যমেই রচনার বিষয়বস্তু সম্পর্কে আগাম ধারণা পাওয়া যায় ।
কবি জসীমউদ্দিন ‘চিঠি' কবিতায় প্রকৃতির বর্ণনার সঙ্গে সঙ্গে কবিমনের আবেগের কথাও সুন্দরভাবে প্রকাশ করেছেন। প্রকৃতির নানা উপাদান যেমন— সূর্য, পাখি, নদী বাতাস নানাভাবে তার মনকে প্রভাবিত করেছে। তারা সকলেই নানা মনুসঙ্গে কবিকে যেন সৌন্দর্যের খবর, আবেগের খবর দিতে চয়েছে। আর খবর দেওয়ার এক মাধ্যম হল চিঠি। প্রকৃতি তার রূপ-রস-গন্ধ-স্পর্শের অনুভূতিতে কবিকে আপ্লুত করেছে, চিঠি পাঠিয়েছে কবিকে। সেই চিঠি পেয়ে কবিও মুগ্ধ। এই চিঠিকে দেখা যায় না, কেবল একজন প্রকৃতিপ্রেমীই মনের গভীর অনুভূতিতে এই চিঠি পাঠ করতে পারেন। আবার এই চিঠির আনন্দ আরো বাড়িয়ে দিয়েছে খোকাভাইয়ের লেখা একটি চিঠি পেয়ে। শীতের সকালের মিষ্টি রোদের মতো নরম চিঠি কবির একাকিত্বকে ভুলিয়ে দিয়েছে, কবিকে দিয়েছে অনাস্বাদিত পরম তৃপ্তি । যাই হোক, সমস্ত কবিতাটির বিষয় হয়ে উঠেছে 'চিঠি' – তা সে প্রকৃতিই হোক বা প্রিয়জনের হোক-না-কেন। তাই আলোচ্য কবিতার নামকরণ সার্থক হয়েছে বলেই মনে করি।
১. নীচের প্রশ্নগুলির উত্তর দাও :
১.১ কবি জসীমউদ্দিনকে বাংলা কাব্যজগতে কোন্ অভিধায় অভিহিত করা হয়েছে?
উত্তর কবি জসীমউদ্দিনকে বাংলা কাব্যজগতে অভিহিত করা হয়েছে ‘পল্লিকবি’ অভিধায়।
১.২ তাঁর লেখা দুটি কবিতার বইয়ের নাম লেখো।
উত্তর তাঁর লেখা দুটি কবিতার বইয়ের নাম হল –‘রাখালী', 'নক্সী কাঁথার মাঠ' ।
২. নীচের প্রশ্নগুলির সংক্ষিপ্ত উত্তর দাও :
২.১ কবি কার কার থেকে চিঠি পেয়েছেন ?
উত্তর প্রকৃতির নানা উপাদান যেমন— লাল মোরগ, চখাচখি, গাঙশালিক, বাবুই পাখি, কোড়াকুড়ী প্রভৃতির কাছ থেকে যেমন চিঠি পেয়েছেন, তেমন তাঁর খোকাভাইয়ের কাছ থেকেও চিঠি পেয়েছেন।
২.২ লাল মোরগের পাঠানো চিঠিটি কেমন ?
উত্তর লাল মোরগের পাঠানো চিঠিটি ছিল শিশু উষার হাসিতে ভরা।
২.৩ চখাচখি কেমন চিঠি পাঠিয়েছে?
উত্তর : নদীর বুকে জেগে ওঠা বালুচরে রোদের ঝিকি মিকির মতোই উজ্জ্বল ছিল চখা চখির চিঠিটি।
২.৪ গাঙশালিক তার চিঠিতে কী বলেছে?
উত্তর গাঙশালিক কবিকে গাঙের পাড়ের মোড়ল হতে বলেছে।
২.৫ বাবুই পাখির বাসার থেকে আসা চিঠিটি কেমন ?অথবা, “চিঠি পেলুম কিচিরমিচির বাবুই পাখির বাসার থেকে বলতে ‘চিঠি' কবিতায় কবি কী বুঝিয়েছেন ? পর্ষদ নমুনা প্রশ্ন
উত্তর বাবুই পাখির বাসার থেকে আসা চিঠিটি ধানের পাতায়-তালের পাতায় যেন বুনট নকশা করা।
২.৬ কোড়াকুড়ীর পাঠানো চিঠিটির বর্ণনা দাও।
উত্তর বর্ষার জলে পূর্ণ খেত থেকে কোড়া কুড়ী ফসলের খবর পাঠিয়েছে। তারা আরো জানিয়েছে যে, বর্ষার জলের স্পর্শে সবুজ পাতায় পাতায় নৃত্যের ঝংকার উঠেছে। এ ছাড়াও জানিয়েছে কান্নার মতো শোনা যায় গুরু গুরু মেঘের ডাক, উদাস বাতাস আছড়ে পড়ে শুনিয়ে যায় মনখারাপের গল্প ।
আরো পোস্ট পেতে এখানে ক্লিক করুন Class 6
পাইন দাঁড়িয়ে আকাশে নয়ন তুলি
২.৭ কার চিঠি পাওয়ায় কবির মনে হয়েছে নিখিল বিশ্ব তাঁকে চিঠি পাঠিয়েছে?
উত্তর খোকাভাইয়ের চিঠি পাওয়ায় কবির মনে হয়েছে, নিখিল বিশ্ব বুঝি তাকে চিঠি পাঠিয়েছে।
২.৮ এই কবিতায় কোন্ ঋতুর প্রসঙ্গ রয়েছে?
উত্তর আলোচ্য ‘চিঠি’কবিতায় মূলত বর্ষা ঋতুর কথা বলা হলেও একবার শীতের প্রসঙ্গও এসেছে।
২.৯ কবিতায় অন্য ঋতুর পটভূমি সত্ত্বেও খোকা ভাই-এর চিঠির লেখন খানি শীতের ভোরের রোদের মতো' মিঠে মনে হওয়ার তাৎপর্য বুঝিয়ে দাও।
উত্তর শীতের সকাল অতি মনোরম, বিশেষত শীতের সকালের হালকা রোদ আমাদের মনকে তৃপ্তি দেয়। এই রোদের নরম স্পর্শ শীতের জীর্ণতা দূরে সরিয়ে মনকে প্রাণবন্ত করে তোলে। কবির জীবনে খোকাভাইয়ের চিঠি অনাস্বাদিত আমোদ নিয়ে এসেছে। ওই চিঠি ভুলিয়ে দিয়েছে কবির একাকিত্বের বেদনাকে, যে আনন্দের অনুভূতি শীতের সকালের স্নিগ্ধ রোদের মতোই মিঠে। এই কারণেই কবিতায় অন্য ঋতুর পটভূমি সত্ত্বেও শীতের সকালের রোদের প্রসঙ্গই কবি তুলে ধরেছেন।
২.১০ ‘খুশির নূপুর ঝুমুর-ঝমুর বাজছে আমার নিরালাতে।'— পঙ্ক্তিটির অর্থ বুঝিয়ে দাও ।
উত্তর খোকাভাইয়ের মিষ্টি চিঠি পেয়েছেন কবি, আর সেই চিঠি তাঁর জীবনে নিয়ে এসেছে অপূর্ব অনুভূতি, ফলে কবির স্মৃতিপটে ভেসে উঠেছে ভাইয়ের কথা। তার নূপুর-পরা পায়ে চলার কথা । কবি যেন বহু দূরে থেকেও ভাইয়ের পায়ের নূপুরের ঝংকার শুনতে পাচ্ছেন— যা তাঁকে মধুর তৃপ্তি দিচ্ছে। প্রশ্নোক্ত উদ্ধৃতির মাধ্যমে কবি এ কথাই বোঝাতে চেয়েছেন।
৩. নীচের বাক্যগুলিকে ভেঙে দুটি বাক্যে পরিণত কর :
৩.১ চিঠি পেলুম লাল মোরগের ভোর জাগানোর সুর ভরা ।
উত্তর (ক ) লালমোড়কে চিঠি পেলুন (খ) সে চিঠিটি ভোর জাগানোর সুর ভরা ।
৩.২ সবুজ পাতার আসরগুলি নাচছে জল-ধারায় মেতে।
উত্তর : (ক) সবুজ পাতার আসরগুলি জল-ধারায় মেতেছে। (খ) সবুজ পাতার আসরগুলি নাচছে।
৩.৩ শীতের ভোরের রোদের মতো লেখনখানি লাগছে মিঠি।
উত্তর (ক) লেখনখানি শীতের ভোরের রোদের মতো। (খ) লেখনখানি লাগছে মিঠি।
৩.৪ আকাশ জুড়ে মেঘের কাঁদন গুরু গুরু দেয়ার ডাকে।
উত্তর : (ক) আকাশ জুড়ে গুরু গুরু দেয়ার ডাক।
(খ) দেয়ার ডাকে মেঘের কাঁদন।
৩.৫ লিখে গেছে গাঙশালিকে গাঙের পাড়ের মোড়ল হতে।
উত্তর : (ক) গাঙশালিকে লিখে গেছে।
(খ) সে লেখায় গাঙের পাড়ের মোড়ল হবার কথা রয়েছে।
৪. নীচের প্রশ্নগুলির উত্তর নিজের ভাষায় লেখো :
৪.১ কবি প্রকৃতির কোন্ কোন্ প্রতিনিধির কাছ থেকে কেমন সমস্ত চিঠি পেয়েছিলেন, বিশদে লেখো।
উত্তর কবি জসীমউদ্দিনের লেখা ‘চিঠি' কবিতায় প্রকৃতি তার অপরিসীম ঐশ্বর্যের ডালি সাজিয়ে একাকী কবির নিঃসঙ্গতা দূর করে তাঁকে উৎফুল্ল হয়ে উঠতে সাহায্য করেছে। কবির মনে হয়েছে প্রকৃতির নানা প্রতিনিধি তাঁকে উদ্দেশ্য করে যেন চিঠি পাঠিয়েছে। লাল মোরগের ডাকে কবি জেগে উঠেছেন; সূর্যের প্রথম কিরণের স্পর্শে তার ডানাগুলি নাড়ানোর মধ্য দিয়ে উষার রঙিন হাসি যেন কবির কাছে মূর্ত হয়ে উঠেছে। নদীর চরে বালির উপর চখাচখির ডাকে কবি যেন বর্ষাস্নাত প্রকৃতির চিঠি পেয়েছেন। নদীর বুকে গাঙশালিকের মাতামাতিও কবিকে আনন্দিত করেছে। বর্ষাপুষ্ট নদীর ঢেউ যেন গাঙশালিককে মোড়ল হতে বলেছে এবং সেই কথাই নদীর উজান স্রোতের নিরন্তর কলকল ধ্বনির মধ্য দিয়ে প্রকাশিত ।
বাবুই পাখি যেন তার বাসা থেকে চিঠি দিয়েছে, তার বাসা ধান-তাল ইত্যাদি গাছের পাতা দিয়ে তৈরি। কোড়াকুড়ী বর্ষাকালের জলে উচ্ছ্বসিত খেতের ফসলের কথা জানিয়েছে তার চিঠিতে। সেই সঙ্গে গুরুগুরু স্বরে মেঘ ডাকছে আকাশ জুড়ে, বাতাসের উথালপাতাল রূপটি যেন কারো কণ্ঠের আকুল ডাক; উদাস স্বরে কেউ যেন কারও প্রতীক্ষায় রয়েছে।
৪.২ খোকাভাই-এর চিঠিটির প্রসঙ্গে কবি যে-সমস্ত উপমা ও তুলনাবাচক শব্দ ব্যবহার করেছেন তাদের ব্যবহারের সার্থকতা বুঝিয়ে দাও ।
উত্তর কবি জসীমউদ্দিন ‘চিঠি' কবিতায় খোকাভাই-এর চিঠির প্রসঙ্গে কয়েকটি উপমা ব্যবহার করেছেন।
প্রথমত, খোকাভাইয়ের চিঠিটি শীতের ভোরের রোদের
মতো বলেছেন তিনি। শীতের সকালের রোদ খুবই আরামদায়ক, সুপ্রতিম বসু একজন সাহিত্যিক। তাঁর একটি নিজস্ব লাইব্রেরি তুই বোধহয় জানিস, আমার দাদু (মাতামহ) শ্ৰীযুক্ত যা শরীরকে উয়তায় ভরিয়ে দেয়। শীতের জীর্ণতা ভুলিয়ে শরীরে { আছে, যা তাঁর সারাজীবনের সংগ্রহ। তাই আমি ছুটি পেলে
আমেজ আনে। খোকাভাই-এর চিঠিও কবিকে প্রাণবন্ত করে তুলেছে, যা শীতের সকালের রোদের মতোই আনন্দদায়ক ।
দ্বিতীয়ত, খোকাভাই-এর রঙিন হাতে লেখা চিঠিটিকে নূপুরের ঝুমুর-ঝামুর শব্দের উপমায় উপমিত করেছেন কবি । ঝুমুরের শব্দ নাচের কথাকে মনে করায়, যা মনকে খুশিতে ভরিয়ে তোলে। খোকাভাই-এর অপটু হরফে লেখা চিঠিটিও একইভাবে কবির মনকে খুশিতে ভরিয়ে তুলছে।
এ ছাড়া নীল আকাশকে পাতার সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে। এইখানে একমাত্র যে তুলনাবাচক শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে তা হল ‘মতো” –এই শব্দটি ‘শীতের ভোরের রোদ' উপমাটিকে অনেক বেশি সার্থকতা দান করেছে।
আরো পোস্ট পেতে এখানে ক্লিক করুন Class 6
0 Comments